আজ ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

গাজীপুরে মসজিদ কমিটিকে কেন্দ্র করে আমির আলীগংদের অপতৎপরতা

গাজীপুর প্রতিনিধি ঃ

গাজীপুর মহানগরীর কুনিয়া তারগাছ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি বিগত প্রায় ১১০ বছর পূর্বে মৃত আজিম উদ্দিন পরিবারের লোকজন-সহ স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতায় নির্মাণ করা হয়। তৎকালীন সময় মৃত আজিম উদ্দিন মসজিদের নামে ৮শতাংশ জমি ওয়াকফ করে দেন।

বিগত দিন থেকে মসজিদে সরাসরি খেদমতে জড়িত মুসল্লীদের আর্থিক সহযোগিতায় ইমাম ও মোয়াজ্জিমের বেতন ও সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছিল। মসজিদ পরিচালনার জন্য ইতিপূর্বে মুসল্লীদের মধ্য থেকে শান্তিপূর্ণভাবে কমিটি নির্বাচন করে উক্ত কমিটি দ্বারা সকল প্রকার কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। বিগত প্রায় এক বছর পূর্বে কমিটি বিলুপ্ত থাকার কারণে বর্তমান মসজিদের মুসল্লীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি বিশেষ করে শুক্রবারে জুম্মার নামাজে মুসল্লীদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় উন্নয়ন কাজ অত্যান্ত জরুরী হওয়ার কারণে বিগত ৭ নভেম্বর স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্জ্ব মোঃ সাইফুল ইসলাম দুলাল এর উপস্থিতিতে মসজিদের খেদমতে যুক্ত সরাসরি মুসল্লীদের উপস্থিতিতে একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিপূর্ণ মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠনের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

উক্ত প্রস্তাবনায় উপস্থিত সকল মুসল্লীরা একমত পোশন করে আলহাজ্জ্ব মোঃ শহীদ উল্লাহকে সভাপতি ও আলহাজ্জ্ব আব্দুল আজিজকে সাধারণ সম্পাদক ও আহাম্মদ আলীকে মোতায়াল্লী করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে উপস্থিত সকল মুসল্লীরা উক্ত কমিটিকে অত্যান্ত গ্রহণযোগ্য কমিটি হিসেবে মত প্রকাশ করেন। কিন্তু উক্ত কমিটির বিরুদ্ধে এলাকার শান্তি বিনষ্টকারী আমির আলীগং নানা প্রকার কুৎসা রটনা করে আসছে। এমনকি আমির আলী ও তার সহযোগী ৪/৫ জন ব্যক্তি মসজিদে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এমনকি এই চক্রটি সোসাল মিডিয়ায় মসজিদ কমিটির সম্মানিত ব্যক্তিদের নামে মিথ্যা, বানোয়াট শব্দ যুক্ত করে অপপ্রচারণা চালাচ্ছে। এই অপপ্রচারণার বিরুদ্ধে বর্তমান কমিটি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

এ বিষয়ে আমির আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা। আমি কমিটি নিয়ে কথা বললে আমাকে মারধর করে উল্টো আমার নামে মামলা দিয়েছে। আমি বর্তমানে অসুস্থ। আমার লোকজন আপনাদের সাথে কথা বলবে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে আমির আলী গং-সহ চার জনের বিরুদ্ধে গাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: