আজ ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

গাজীপুর মহানগর ছাত্র লীগের পক্ষ থেকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা, দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতর

মোঃ আরিফ মৃধা ঃ

১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর ছাত্র লীগের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা, দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।মহানগর ছাত্রলীগ নেতা গাজী আল ফোরকানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আগামী দিনের মেয়র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন মন্ডল, মহানগর ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম দ্বীপ, মহানগর কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিটন মোল্লা, গাছা থানা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান লিটন, গাছা থানা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল রাকিব বেপারী, গাছা থানা কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুম্মন খান, গাছা থানা ছাত্র লীগের সহ সভাপতি রকি মুন্সি, গাছা থানা ছাত্র লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহাদাত হোসেন নাইম, মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ জসিম গাজী সহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আব্দুল আল মামুন মন্ডল বলেন ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ছোট ছেলে শেখ রাসেল যিনি রাজনীতি বুঝতেন না তাকেও সেদিন নির্মমভাবে হত্যা করে খুনিরা। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় সৃষ্টি করে খুনির। আমাদের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করে খুনিরা। বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন নামাযী ব্যক্তি। তিনি নিয়মিত নামাজ পড়তেন এবং সবসময় আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখতেন। ঘাতকরা সেদিন ফজরের নামাজের আগ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে,এগিয়ে যাবে।
আমাদের সকলেরই উচিত সে অন্য উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা করা। তাহলেই বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ, যে স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু সবসময়ই দেখতেন।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে আমরা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছ। কিন্তু যারা স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দেশের বিপক্ষে কাজ করেছে, তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে আমাদের ইতিহাসে কালো অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। খুনিরা চেয়েছিল এদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকে মুছে দিতে। কিন্তু তারা তা পারে নাই। ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো খুনিদের বিচার করেনি উপরন্তু তাদেরকে পুরস্কৃত করেছে। এবং এদেশে খুনীদেরকে দল করার অনুমতি দিয়েছে। ইতিহাস কখনোই অন্যায়কারীকে ক্ষমা করেনি। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ইতিহাসের কালো আইন ইনডিমিনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে সকল ঘাতকদের বিচারের সম্মুখীন করেছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েক জনের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। আরো যারা বিদেশে পলাতক অবস্থায় আছে তাদেরকে অতি দ্রুত দেশে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

অন্নন্য নেতা বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ ইতিমধ্যেই চলমান রয়েছে। সেগুলো যাতে সঠিকভাবে সম্পন্ন হতে পারে তার জন্য তিনি সকলকে শেখ হাসিনার পাশে থাকার আহ্বান জানন। অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারাও ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সহ যারা সেদিন ঘাতকদের হাতে নিহত হয়েছেন, তাদের হত্যাকারীদের বিচার যেন অতি দ্রুত বাংলার মাটিতে হয় সে জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অনুষ্ঠান শেষে ১৫ আগষ্ট নিহতদের স্মরণে দোয়া করা হয়।দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ বিল্লাল হোসেন। (বিল্লাল হুজুর)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: