আজ ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কোরআন খানি মিলাদ মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়

মোঃ আরিফ মৃধাঃ

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে কোরআনখানি,মিলাদ মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল ও মহানগরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে হক শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর নির্দেশনায় মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসল মহানগর যুবলীগের পক্ষ থেকে এঅনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি এখনো যারা বিভিন্ন দেশে লুকিয়ে আছে তাদের ফিরিয়ে এনে অবিলম্বে ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানান বক্তারা। অনুষ্ঠানে মহানগর যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বলেন গাজীপুর মহানগর যুবলীগের পক্ষ থেকে করোনা কালে অসহায় দুঃস্থ মানুষদের ইতিমধ্যেই সাহায্য সহযোগিতা করে আসছি।

এবার দেশে দীর্ঘস্থায়ী বন্যা চলছে। মহানগর যুবলীগ মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান রাসেল সরকারের নেতৃত্বে বন্যা দুর্গতদের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, আগামীতে ও যতদিন বন্যা করো না থাকবে ততদিন রাসেল সরকারের নেতৃত্বে মহানগর যুবলীগ অসহায় দুস্থদের পাশে থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মহানগর যুবলীগের আহবায়ক জনপ্রিয় নেতা যুব যুব সমাজের অহংকার যিনি সবসময় অসহায়, দুঃস্থ মানুষদের পাশে থেকে তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করে করে যান, যখনই কোনো দুর্ভিক্ষ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসে মহানগর যুবলীগের পক্ষ থেকে তৎক্ষণাৎ মহানগর যুবলীগের নেতা কর্মীদেরকে নিয়ে অসহায়দের দিকে হাত বাড়িয়ে দেন।

যুবলীগের নেতৃবৃন্দ কে নিয়ে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে ছুটে যান এবং সাধ্যমত তাদের সাহায্য সহযোগিতা করেন। বাংলাদেশে করোনা শুরু থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত অসংখ্য মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও অর্থ পৌঁছে দিয়েছেন কামরুল আহসান সরকার রাসেলের নেতৃত্বে মহানগর যুবলীগ।

অনুষ্ঠানে কামরুল আহসান সরকার বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। এদিন বঙ্গবন্ধু সহ তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে কিছু বিপথগামী সামরিক বেসামরিক লোক। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে ইতিহাস একটি কালো অধ্যায় সৃষ্টি করে খুনিরা।
সেদিন খুনিরা বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেল যে কোনো রাজনীতি বুঝতো না, নিষ্পাপ ছিল তাকেও খুনিরা ক্ষমা করেনি। রাসেল সরকার বলেন, আজকে দীর্ঘদিন পরে হলেও বঙ্গবন্ধুকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল তাদের বিচার এই বাংলার মাটিতে ইতিমধ্যে হয়েছে। অনেকেরই ফাঁসি হয়েছে। আরো যারা বিদেশে পলাতক রয়েছে তাদেরকে ফিরিয়ে এনে অবিলম্বে ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

রাসেল সরকার বলেন বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন নামাজি, ধর্মপ্রাণ সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ। তিনি সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করতেন। তিনি কখনো ভাবতেই পারেননি যে বাঙালিরা তাকে খুন করতে পারে। কিন্তু কিছু ক্ষমতা লোভী, নরপিশাচ পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করে খুনিরা। ভাগ্যক্রমে সেদিন বিদেশে থাকায় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান। আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

বঙ্গবন্ধুর ভাষায় বলতে হয়, উন্নয়নের এ ধারাকে কেউ দাবায়া রাখতে পারবেনা। তাই মহানগর যুবলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে রাসেল সরকার বলেন, তাই আসুন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পাশে থেকে তাঁর হাতকে শক্তিশালী করি। বাংলাদেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করি। বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আমরাও শরিক হই।

তাহলেই বাংলাদেশ হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। খোদা মুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত একটি সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। অনুষ্ঠান শেষে ১৫ আগস্ট শাহাদাত বরণকারী বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য কোরআন খানি ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: