আজ ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মহানগরের বোর্ড বাজার গরুর হাটের হিসাব না দিয়ে চলে যাওয়ার সময় আওয়ামীলীগ নেতারা অবরুদ্ধ ও ভাউচার কারী দৌড়ে পলাতক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

গাজীপুর মহানগরের বোর্ড বাজারে মির্জাপুর সিএনজি সংলগ্ন মাঠে কুরবানীর ঈদে অনুষ্ঠিত গরুর হাটের হিসাব না দিয়ে যে যার মত চলে যাওয়ার সময়.গাছা থানা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতাসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীরা দলীয় নেতাকর্মীদের নিকট অবরুদ্ধ হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে গাছা থানা এলাকায় টক অবদা টাউনের পরিচয় হয়েছে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন কর্তৃক গত ঈদের জন্য গাছা থানা এলাকার মির্জা পুর সি এন জি সংলগ্ন মাঠে ৩০ জনকে নিয়ে একটা গরুর বাজারের ইজারা দেয় ঈদের আগে দিন পর্যন্ত সেই মোতাবেক গরুর হাট বেশ সমাগম ছিল এবং বেচা-কেনাও ভালো হয়েছে বলে অনেক ইজারাদার সদস্য এই প্রতিবেদককে জানিয়েছে।

গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য হাজী আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যান, সাবেক গাছা ইউনিয়ন

পরিশেষে গত ৩১ তারিখ হাট বন্ধের আগে গভীর রাতে গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য হাজী আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যান, সাবেক গাছা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী এম কাদির, গাছা থানা আওয়ামীলীগের অন্যতম নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দীন সরকার, রুবেল খান মন্টু, ৩৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতা মোস্তখা কামাল, সহ বেশ কয়েকজন নেতা কর্মীরা ঘরোয়া ভাবে হিসাব করে চলে যাওয়ার সময় বাজারের অন্যন্য ইজারাদারা হিসাব চাইলে শুরু হয় বাকবিতন্ডায় এসময় বাজারের অন্যন্য সদস্যরাও বসে বাজারের হিসাবে দেখাতে বলে।

আওয়ামীলীগের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দীন সরকার

এসময় উল্লেখিত নেতারা হিসাব দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করলে সকলে একজোট হয়ে গাছা থানা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতাদের অবরুদ্ধ করে রাখে এবং উপস্থিত সকলেই টাকার হিসাব চাই বলে বিক্ষোভ প্রতিবাদ করতে থাকে উক্ত নেতাদের প্রায় সকাল পর্যন্ত অবরুদ্ধ করে রাখে বাজারের অন্য সদস্যরা উক্ত গরুর হাটের এক ইজারাদার জানান উল্লেখিত ব্যক্তিরা গোপনে নিজেদের মত করে মনগড়া হিসাব করে তারা পুরা টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারা করছে আমরা চাই সবাই এক সাথে বসে হিসাব করতে।

আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী এম কাদির

অন্যদিকে খরচ না করে ভাউচার কারী মোস্তফা কামাল (ই,আর,লাইব্রেরী’র) প্রোপাটর (গত ঈদে তারই বন্ধু ও গার্জিয়ান চোরের উপাদী দেয়) কে অন্নান্য পাটনাররা খরচের হিসাব চাইলে না দিতে পারায় তিনি জিবন বাচানোর তাগিদে দৌড়ে পালিয়ে যান৷

এদিকে উক্ত অবরুদ্ধ করে রাখার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গাছা থানা এলাকায় শুরু হয় নানান গুঞ্জন।
আজ ভোর রাতে প্রায় ৪টা জালাল মার্কেটের সামনে এ গটনা ঘটে, তাত্ক্ষনিক ফেজবুক গরুর বাজারের পার্টনারের একজন তার আইডি দিয়ে লাইফ দেন।

রুবেল খান মন্টু, তিনি একসাথে গাছা থানা আওয়ামীলীগ প্রার্থী ও মহানগরের মেয়র প্রার্থী

পরবর্তিতে আবার তার আইডি দিয়ে বিস্তারিত বিষয় গুলো উল্লেখ করেন, বোর্ডবাজার মির্জাপুর পাম্পের গরুর বাজারের পার্টনারশিপ আমরা ৩০জন প্রকাশ্যে পার্টনারশিপের হিসাব-নিকাশ করতে হবে। না হলে চোর মুস্তফাকে ও তার সহ কারিদের সহ নেংটা করে ছেড়ে দেওয়া হবে সবাইকে বলে দিলাম……না দিলে কাল রাতের মত আবার ও দামাকা হবে….আমাদের টাকা নিয়ে কাল রাতে চোর মুস্তফা সহ সবাই দৌড়ে পালিয়েছে। আমাদের হিসাব দিচ্ছেনা।

হিসাব গুপনে ৭ জনে কেন??? বিগত দিনের মত এই বার ও টাকা লুট পাট করে দৌড়েই পালিয়েছে চুরেরা…বালু ৬ গাড়ি ফেলে হিসাবে দিচ্ছে ১২ গাড়ি লেবার ২০ জন থাকলে বিল হয় ৪০ জনের। লুক ৩০ জন থাকলে ৬০ জন চমকেই যাওয়ার মত আরও অনেক হিসাবই আছে এই চোরদের। আওরা খালি মাছ দিয়া ভাত খাইছে ২০০০০০.(দুই লাক) হাজার না লাক টাকা.. সাংবাদিক দের বিল ৭০.০০০ (সত্তর হাজার)নেতাদের রাতের আপ্পায়ন ৩০০০০ (ত্রিশ হাজার) বাজার পছেছিং করতে গুষ দিছে ৫০০০০০ (পাচ লাক) মামা-মামা .এই পরজন্ত বাজারে টাকা ওঠেছে আনুমানিক ৮২০০০০০ (বিরাশি লাখ) টাকা।

এই টাকা গুলি তারা মিলে মেরে দিতে চাচ্ছে। হিসাবে আমাদের নিয়ে বসে না লুকুচুরি করে চোরেরা। মাননীয় মেয়র সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনার পরিচয়দিয়ে এরা আপনার সুনাম নষ্ট করে দিচ্ছে। আমাদের কে নেজ্জ পাওনা পেতে আপনার সাহায্য কামনা করছি ।

টপলেবেলের কথা বল্লে মাতা পুরাই লষ্ট মামা…. আরও আছে…???!!!! লেখতেও লজ্জা লাগে।পরের টাকা মাইরা এখন নিযে দনের মালিক হিছে…হায়রে টাকা ।

এর ফেজবুক আইডি থেকে নেওয়া,

Md Delwar Hossain

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: