আজ ১৬ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

” নো মাক্স, নো সেল ” লিফলেট হাতে দোকানে দোকানে ঝালকাঠি পুলিশ সুপার ফাতিহা

ইমাম বিমান :

সারাবিশ্ব যখন কোভিড-১৯ তথা করোনা ভাইরাসের আক্রমনের শিকার ঠিক তখনই এর সংক্রমন প্রতিরোধে যুদ্ধ ময়দানের (অঘোষিত যুদ্ধ) লড়াকু সৈনিকদের মত মাঠ পর্যায়ে প্রথম সারিতে থাকা প্রতিটি দেশের পুলিশ বাহিনী নিজ দেশ রক্ষার জন্য প্রানের মায়া ছেরে দেশ রক্ষার কাজে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছিন। বিশ্বে করোনা ভাইরাসের আক্রমনের সংক্রমন প্রতিরোধে অঘোষিত যুদ্ধে প্রথম সারিতে থেকে বিশ্বের প্রতিটি দেশের পুলিশ বাহিনী যতটা ভূমিকা পালন করছে ঠিক তেমনি আমাদের বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী বিগত দিনে বিশ্বে ঘটে যাওয়া যুদ্ধের ময়দানে থাকা সম্মোক যোদ্ধা হিসেবে করোনা ভাইরাস সংক্রামন প্রতিরোধে কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ।

দেশে করোনা ভাইরাস আক্রমনের শুরু থেকেই বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী এর সংক্রামন প্রতিরোধে নিজ জীবন বাজি রেখে মাঠ পর্যায় কাজ করে যাচ্ছে, যা এখন পর্যন্ত চলমান রয়েছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় সরকার যখন দেশের জনগনকে বাঁচাতে ব্যবসায়ীদের দোকান খোলার সিধান্ত নিলেও এসকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ক্রয়-বিক্রয়ের সময় সামাজিক দুরুত্ব নিশ্চিত করন সহ সরকারি আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী কতৃক যে সকল নির্দেশনা রয়েছে সেই সকল নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগনের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করে যাচ্ছে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ। এ উপলক্ষে ৭মে বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন নিজ হাতে জেলা শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ” নো মাক্স, নো সেল ” লিপলেট বিতরন করেন। একই সাথে জেলা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের নিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও জনসাধারনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন।

এ সময় জেলা পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন মাক্স উৎপাদন ও ব্যবহার সম্পর্কে বলেন, আঠারো শতকে প্রথম সার্জিক্যাল মাস্কের চল শুরু হয়। বিশ্বের বহু দেশেই সংক্রমণ ঠেকানোর একটি জনপ্রিয় ব্যবস্থা হচ্ছে মাস্ক ব্যবহার। এছাড়াও সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করে আপনি এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন। করোনা ভাইরাসসহ অন্যান্য রোগের বিস্তার সীমিত পর্যায়ে রাখতে মেডিক্যাল মাস্ক সাহায্য করে। তবে এটার ব্যবহারই এককভাবে সংক্রমণ হ্রাস করতে যথেষ্ঠ নয়। নিয়মিত হাত ধোয়া এবং সম্ভাব্য সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে মেলামেশা না করা এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর সর্বোত্তম উপায়। তাই আপনার দোকানের সামনে কোন ব্যক্তি মাক্স বিহীন আসলে তার কাছে কিছু বিক্রি করবেন না বলে আহবান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: