আজ ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

তেঁতুলিয়ায় ত্রাণের চাল ১০ কেজির ক্ষেত্রে ৯ কেজি বিতরণ

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

নাম তার সেরাজুল পিতা- মৃত হাসিমদ্দিন, গ্রামঃ খেকী ডাংগী, ডাকঘরঃ দেবনগড়, উপজেলাঃ তেঁতুলিয়া, জেলাঃ পঞ্চগড়। পেশায় তিনি ভিক্ষুক। তার বসতভিটা ছাড়া কিছুই নেই সম্বল। তার পরিবারে রয়েছে দুই ছেলে এক মেয়ে ও তার স্ত্রী। তার স্ত্রীর টেরাচোখ দেখতে।

তবুও সেখানকার ওয়ার্ড সদস্য মোশারফ হোসেন প্রতিবন্ধী ভাতায় তার নাম দেয়না। ছেলে সন্তান গুলোও ছোট। তিনি ছাড়া তার পরিবারে রোজগারের আর কেউ নেই। বর্তমানে করোনা ভাইরাস মহামারীর এ দূর্ভোগে সরকার বাহাদুর কর্তৃক ত্রাণ হিসেবে গত এক কিংবা দেড় মাস আগে দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দিয়েছেন ১০ কেজির ক্ষেত্রে ৯ কেজি চাল, ১লিটার ১টি সয়াবিন তেলের বোতল, ১কেজি ডাল এবং ১টি ছোট সাবান। এতদিনে তার ঘরে খাবার না থাকায় কয়েকদিন আগে খেকী ডাংগী গ্রামের মানুষ ১৩কেজি চাল উত্তোলন করে তাকে সহযোগীতা করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, সে একজন নিত্তান্ত গরীব। সে একজন অসুস্থ। তার কিডনীর সমস্যা রয়েছে ওজনের কাজ সে করতে পারে না। তার বসতভিটা আর বাড়ি ছাড়া কিছুই নেই। ইউনিয়নের মেম্বার, চেয়ারম্যানেরা তাকে কোনো ভাবেই সহযোগীতা করছেননা। সে সাহায্য চেয়ে যা পায় তাই নিয়ে কোনো মতে সংসার চলে। ত্রাণের চাল কম দেওয়ার ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আমিনুল ইসলামকে মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি জানান, এটা তো এক দেড় মাস আগের কথা হইতো বস্তায় কম থাকার কারণে ৯কেজি চাল দেয়া হয়েছে। তবে যখন কম হয়েছে তখন বললেই বিষয়টি দেখা যাইত।

অপরদিকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মহসিনউল হককে গত ৯মে/২০২০ বিকাল ৪:০১ ঘটিকা হইতে কয়েকবার ফোন করলে চেয়ারম্যানের ফোন বন্ধ দেখায় অতঃপর পুনরায় মুঠোফোনে ফোন দিলে ৫:৩০ঘটিকায় কে বা কাহাকে আসতেছি আসতেছি বলে ফোন কেটে দেয় এতে কোন কিছুই বলার সুযোগ দেয়নি।

এ ব্যাপারে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহাগ চন্দ্র সাহাকে মুঠোফোন ফোন দিলে তিনি জানান, বস্তায় ৩০ কেজি করে চাল থাকে ৩ জনকে ১০কেজি করে ভাগ করে দিবেন। কম হবে কেন? তবে অনেক সময় বস্তায় ৩০০-৪০০ গ্রাম চাল কম হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: