আজ ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ঝালকাঠিতে লকডাউন বাড়ীতে সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ছায়িদার খাদ্য সামগ্রী বিতরন 

ইমাম বিমান, ঝালকাঠি থেকে :
ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন  নবগ্রামে লকডাউন হওয়া বাড়ীতে ইউনিয়ন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ছায়িদা সুলতানা নিজ অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন। ১৩এপ্রিল সোমবার বিকেলে সদর উপজেলাধীন নবগ্রামে গত ৮এপ্রিল লকডাউন হওয়া একটি বাড়ীতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি এ খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন।
এ বিষয় সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ছায়িদা সুলতানার কাছে জানতে চাওয়া তিনি জানান, মরনব্যাধী কোভিড-১৯  করোনা ভাইরাস সংক্রামন রোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা তথা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কতৃক ঘোষিত দেশে চলমান লকডাউনের মধ্যেও প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা শহর থেকে আমাদের এলাকার লোকজন পালিয়ে নিজ বাড়ীতে আসছে। আর এলাকায় আসার পর কখনো স্থানীয় বাসিন্দা, ইউপি সদস্য আবার কখনো স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। আর জানার সাথে সাথে আমি ঐ এলাকায় গিয়ে অন্য স্থান থেকে আসা অাগত ব্যক্তির বাড়ীতে গিয়ে অথবা বিভিন্ন মাধ্যমে তাদেরকে তাৎক্ষনিক সতর্কাবস্থায় থাকার জন্য হোমকোরাইন্টাইন সহ ঘরের অনয় সদস্যদের সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আলাদা কক্ষে থাকার পরামর্শ দেই।
সদর উপজেলার ৩নং নবগ্রাম ইউনিয়নস্থ নবগ্রামে গত ৮এপ্রিল নারায়নগঞ্জ থেকে আসা এক ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ শেষে একটি বাড়ী লকডাউন ঘোষনা করা হয়। ঘোষিত লকডাউন বাড়ীর একজন লোক গত ১১এপ্রিল আমার মুঠোফোনে তাদের ঘরে কোন খাদ্য সামগ্রী নেই বলে জানান। আমি তাদেরকে এ বিষয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ার্ম্যান ও ইউপি সদস্যকে জানাতে বলি। একই ব্যক্তি গত ১২এপ্রিল আবারো খাদ্যের প্রয়োজনে আমাকে আমার মুঠোফোনে কল দিয়ে জানায় চেয়ারম্যান, মেম্বর কোন ব্যবস্থা করতে পারেননি। লকডাউন বাড়ীতে খাদ্যের অভাবের কথা শুনে আমি আমার বেতনের একাংশ টাকা দিয়ে একাধিক পরিবারের মাঝে সাধ্যমত খাদ্য সামগ্রী কিনে পাঠিয়ে দেই। এবং মুঠো ফোনের মাধ্যমে তাদের মাঝে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করনীয় বিষয় সমূহ বলে তাদেরকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার পরামর্শ দেই।
প্রসংগত গত ৮এপ্রিল সদর উপজেলার নবগ্রামের একটি বাড়ীতে এক লোক নারায়নগঞ্জ থেকে আসে। লোক আসার সংবাদে তার বাড়ীতে গিয়ে করোনা ভাইরাস শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা সংগ্রহ শেষে বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তা কার্যালয়ের ডাঃ রিফাত আহমেদ স্যারকে জানানো হলে তার নির্দেশ ক্রমে বাড়ীটি ১৪ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষনা করি। এবং ১৪ দিনের মধ্যে বাড়ীতে থাকা সকল সকলকেই বাড়ীর বাহিরে বের না হওয়ার জন্য পরামর্শ সহ তাদের সবার মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি পূর্বক নারায়নগঞ্জ থেকে আসা ব্যক্তির পরিবারের সাথে প্রায়ই যোগাযোগ করে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করনিয় সম্পর্কে পরামর্শ দেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: