আজ ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামের ঐতিহ্যময় নিদর্শন কুপি বাতি এখন স্মৃতি

হাছানুর রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি :

গ্রাম বাংলার কুপবিাতি বা কুপ, এখন শুধুই স্মৃত। গ্রাম বাংলার প্রতি গৃহরে অতি প্রয়োজনীয় কুপি আজ বলিীন হওয়ার পথ। গ্রামরে অমাবশ্যার রাতে মটিি মটিি আলো জ্বালয়িে মানুষরে পথচলার স্মৃতি এখনো বরিাজ করে ।

একটা সময় ছলি যখন বাহারি ধরনরে কুপইি ছলি মানুষরে অন্ধকার নবিারণরে অবলম্বন। কন্তিু কালরে বর্বিতনে কুপি বাতরি স্থান দখল করে নয়িছেে বদ্যৈুতকি বাল্ব, র্চাজার, হ্যারকিনেসহ আরো অনকে কছিুই। ফলে ক্রমে বলিীন হয়ে যাচ্ছে আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতহ্যিময় এই নর্দিশনটওি। এই কুপগিুলোও ছলি বাহারি ডজিাউনরে ও রংয়রে। কোনটি ছলি মাটরি, কোনটি লোহার, কোনটি কাঁচরে আবার কোনটি ছলি পতিলরে তরৈী। নজি নজি সার্মথ অনুযায়ী লোকজন কুপি কনিে সগেুলো ব্যবহার করত। বাজারে সাধারণত দুই ধরণরে কুপি পাওয়া যতে ছোট ও বড়।

কুপি হতে বশেী আলো পাওয়ার জন্য ছোট কুপি গুলোর জন্য কাঠ, মাটি বা কাঁচরে তরৈী গছা (ষ্ট্যান্ড) ব্যবহার করা হতো। এই গছা গুলোও ছলি বভিন্নি ডজিাউনরে। কন্তিু র্বতমানে গ্রাম বাংলায় বদ্যিুতরে ছোঁয়ায় কুপরি কদর হারয়িে গছে। বদ্যিুৎ না থাকলওে অবশষ্টি সময় মানুষ ব্যবহার করছেে বভিন্নি ধরণরে র্চাজার ও হ্যারকিনে। গ্রাম বাংলার আপামর লোকরে কাছে কুপরি কদর হারয়িে গলেওে এখনও অনকে লোক আছনে যারা আঁকড়ে ধরে আছনে কুপরি এই স্মৃতকি। সৌখনি অনকেে এখনও কুপি ব্যবহার করছেনে আবার কউে সযতে এটি সংরক্ষণ করছেনে আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতহ্যিময় নর্দিশন হসিাব।

কুপরি কদর ও ব্যবহার ক্রমে যে হারে লোপ পাচ্ছে এতে করে নকিট ভবষ্যিতে কুপি বাতরি স্মৃতি ছাড়া আর কছিুই অবশষ্টি থাকবে না বলে মনে করছেনে বজ্ঞিজনরা। আবহমান গ্রাম বাংলার কুপি বাতরি মতো অনকে ঐতহ্যিময় নর্দিশন আজ প্রযুক্তরি কল্যাণে বলিীন হওয়ার পথ।ে কন্তিু এক সময় ছলি বাংলার প্রকৃত স্বরুপ ও ঐতহ্যি ছলি গ্রাম বাংলার এই নর্দিশন গুলো।

তাই নব প্রজন্মকে অতীত ইতহিাস সঠকিভাবে জানানোর র্স্বাথে কুপি বাতি গ্রামরে ঐতহ্যিময় নর্দিশন গুলো সংরক্ষণ করতে সংশ্লষ্টি র্কতৃপক্ষরে আশু উদ্যোগ গ্রহণ জরুরী বলে অভমিত ব্যক্ত করছেনে সচতেন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: