আজ ১৬ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের হত্যাকারী কে পদ দেওয়ায় গাজীপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধ।

মোহাম্মদ আরিফ মৃধাঃ
গাজীপুরের সাবেক সাংসদ, আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের হত্যাকারী নুরুল ইসলাম দিপুকে জাতীয় পার্টিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত করায় গাজীপুর মহানগরীর ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড এর আওতাধীন বোর্ডবাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীর
৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত কাউন্সিলর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ   বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য এককালের মাঠ কাঁপানো ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গাজীপুর মহানগর শাখার শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শহীদুল্লাহ, গাজীপুর মহানগর শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা  ইসলাম দ্বীপ এর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
 উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ কৃষকলীগ, তাঁতী লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে বলা হয় শহীদ আহসান আহসান উল্লাহ মাস্টারের হত্যাকারীরা ইতিমধ্যেই আদালত কর্তৃক সাজা প্রাপ্ত হয়েছেন।
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এর হত্যাকারীদের মধ্যে একজন নুরুল ইসলাম দিপু যাকে জাতীয় পার্টিতে পদ দিয়ে আসানুল্লাহ মাস্টারের রক্তের সাথে বেঈমানি করা হয়েছে। তাকে কলঙ্কিত করা হয়েছে। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল থেকে বক্তারা বলেন অবিলম্বে কুখ্যাত খুনি কে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করতে হবে। অন্যথায় গাজীপুর থেকে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
একজন কুখ্যাত খুনি কে কোনমতেই জাতীয় পার্টি পদ দিয়ে সম্মানিত করতে পারেন না। একজন খুনি কে পদ দিয়ে জাতীয় পার্টি শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার তথা পুরো বাংলাদেশের মানুষের সাথে  বেইমানি করেছেন। জাতীয় পার্টি একজন খুনি কে পদ দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে কলঙ্কিত করেছেন। নুরুল ইসলাম দিপু যিনি আহসান উল্লাহ মাস্টারের কুখ্যাত খুনি। দীর্ঘদিন সে পলাতক অবস্থায় বিদেশে রয়েছেন। বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে তাকে দেশে এনে তার বিচারের রায় কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
উল্লেখ্য আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য গাজীপুরের মাটি ও মানুষের নেতা ও শ্রমিক নেতা যিনি একাধারে ছিলেন একজন শিক্ষক তাকে ২০০৪ সালের ৫ ই মে টঙ্গির একটি জনসভায় প্রকাশ্য দিবালোকে তখনকার বিএনপি’র মদদপুষ্ট দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। পরবর্তীতে গাজীপুরসহ সারা বাংলাদেশ আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যার প্রতিবাদের ঝড় উঠে তার খুনিদের বিচার ও ফাঁসির দাবিতে গাজীপুরসহ সারা বাংলাদেশ আওয়ামী আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাস্তায় নেমে আসে তার বিচারের দাবিতে। ইতিমধ্যেই আদালতের রায়ে খুনিদের অনেকেরই ফাঁসি হয়েছে।
কিন্তু এখনো পর্যন্ত সে ফাঁসির রায় কার্যকর হয়নি। এজন্য গাজীপুরের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা দীর্ঘদিন যাবৎ তার হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য দাবি জানিয়ে আসছিল।
কিন্তু সম্প্রতি আহসান উল্লাহ মাস্টারের  একজন হত্যাকারী কে জাতীয় পার্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ, সাংগঠনিক পদ দিয়ে সম্মানিত করেছে এতে আহসানউল্লাহ মাস্টার তথা  গাজীপুরবাসীর সাথে জাতীয় পার্টি বেঈমানী করেছে এবং আহসান উল্লাহ মাস্টারকে কলঙ্কিত করেছে। এতে গাজীপুরবাসী জাতীয় পার্টিকে ধিক্কার জানিয়েছে।
তারা দাবি করেছে অবিলম্বে যেন এ হত্যাকারীকে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়, অন্যথায় জাতীয় পার্টিকে আগামীতে চরম মূল্য দিতে হবে বলে বক্তারা হুশিয়ারি প্রদান করেছেন। উল্লেখ্য শহীদ আসানা মাস্টার মৃত্যুর পর তারই ছেলে গাজীপুর সদর টঙ্গী থেকে সংসদ নির্বাচিত হন যিনি বর্তমানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন জনাব জাহিদ আহসান রাসেল বাবার হত্যাকারী কে অবিলম্বে বিচারের রায় কার্যকর করার জন্য তিনি ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি জানিয়ে আসছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
%d bloggers like this: